এবার চিত হ’য়ে শোওয়া যাক


এক নিমেষে কতগুলো শব্দ একসাথে পড়া যায়, তার একটা প্রতিযোগিতা হত আমাদের মধ্যে। সেই সময়ের কথা বলছি, যখন ওরকম প্রতিযোগিতার কথা মাথায় আনা যেত। তা সেই পড়ার অভ্যেসটা আর রইল কই এত বছর পর? সারা পৃথিবী চষে বেড়ানো বাঙালি আর বই পায় কটা? পেলেই বা পড়ে কটা? যারা বাংলার বাইরে আছেন তাদের না হয় এইসব অজুহাত। কিন্তু বাংলায় থেকেও যারা বইপত্র উলটে দেখছেন না আর? তাঁদের অজুহাতটা কী?
অবশ্য বইমেলা এলেই দেখি, নতুন প্রকাশিত বইয়ের খবরাখবর নিয়ে মেল চালাচালি হয় বিস্তর। কিন্তু বই কেনেন ক’জন আর মনোযোগ দিয়ে পড়েন ক’জন?

বাঙালির এই বইপত্র পড়ার অভ্যেসটা ফিরে আসুক – এমন একটা প্রার্থনা আর মনে মনে নয়, সোচ্চারে করতে হল। ১০টা নতুন-পুরানো বইয়ের আলোচনা নিয়ে কিছু মনোযোগী পাঠক হাজির হয়েছেন সৃষ্টি’র এই সংখ্যায়। সুযোগমত তুলে আনা হয়েছে সেই বইগুলোর কিছু উজ্জ্বল উদ্ধার। পাঠককে দিতে চাওয়া হয়েছে বইটি নিয়ে চিন্তা ভাবনা করার অবকাশ। আর অবশ্যই সেই বইগুলো কেনার সুযোগ।
বাংলা বইপত্র আর লিটল ম্যাগাজিনগুলোকে সহজলভ্য ক’রে তুলতে সৃষ্টি আর সৃষ্টিসুখ-এর যৌথ উদ্যোগ বইপত্র ডট কম খুলে দেওয়া হল সবার জন্যে।

বই জানুন, বই কিনুন, বই পড়ুন।

সৃষ্টি’র গল্প প্রতিযোগিতা


সৃষ্টি ওয়েবম্যাগের পক্ষ থেকে একটি গল্প প্রতিযোগিতা’র আয়োজন করা হয়েছে। আপনার গল্পটি প্রতিযোগিতায় জমা দেওয়ার আগে নিচের নিয়মগুলি পড়ে নিন।

ক। গল্পের কোনও বিষয় নেই। নেই কোনও শব্দসীমা। আপনি যা খুশি, যত খুশি লিখতে পারেন।

খ। গল্পটি ইন্টারনেট বা কাগুজে পত্রিকায় অপ্রকাশিত হতে হবে। যাকে বলে একেবারে অসূর্য্যস্পর্শা।

গ। গল্পটি ওয়ার্ড ফরমাটে ইউনিকোড ফন্টে টাইপ ক’রে পাঠাতে হবে। এ ব্যাপারে সাহায্যের দরকার হ’লে সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

ঘ। গল্প পাঠানোর শেষ তারিখ ১৫ই জানুয়ারি ২০১০। গল্প পাঠান rohonkuddus@gmail.com –এ। মেলের বিষয় হিসাবে লিখুন ‘সৃষ্টিঃ গল্প প্রতিযোগিতা’। গল্পের সাথে অবশ্যই আপনার একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি পাঠান (যা পাঠককে জানাতে চান)।

ঙ। বিচারকমন্ডলীর পছন্দের ভিত্তিতে প্রথম ১০টি গল্প বেছে নেওয়া হবে সৃষ্টি ২৩-এ প্রকাশের জন্যে। প্রথম ৩ স্থানাধিকারী পাবেন সৃষ্টি’র তরফ থেকে বিশেষ উপহার।